র্যান্ডম এক্সেস মেমোরি (RAM)র্যান্ডম অ্যাক্সেস কি?
র্যান্ডম এক্সেস মেমোরি (RAM)র্যান্ডম অ্যাক্সেস কি?
এটি মূলত একটি বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন। র্যামের অর্থ র্যান্ডম অ্যাক্সেস—কেনোনা এটি দ্রুতগতিতে কম্পিউটার ডাটা রীড রাইট করতে সাহায্য করে এবং একই সময়ে এর যেকোনো স্থানে ডাটা অ্যাক্সেস করতে পারা সম্ভব। কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভ গুলোও র্যান্ডম অ্যাক্সেস ডিভাইজ হয়ে থাকে। কারন একই সময়ে হার্ডড্রাইভের যেকোনো পয়েন্ট থেকে কোন ডাটা অ্যাক্সেস করা সম্ভব।
যাই হোক, সকল প্রকারের কম্পিউটার মেমোরি কিন্তু র্যান্ডম অ্যাক্সেস হয়ে থাকে না। যেমন ধরুন টেপ ড্রাইভের কথা, যাতে প্ল্যাস্টিকের ফিতা লাগানো থাকে এবং চম্বুকের সাহায্যে এ থেকে তথ্য রীড করা হয়ে থাকে। এখন যদি কম্পিউটার এই টেপ থেকে কোন নির্দিষ্ট পয়েন্টের তথ্য অ্যাক্সেস করতে চায় তবে এর ফিতার রিল গুলো সামনে পেছনে ঘুরতে আরম্ভ করবে, ঠিক ততোক্ষণ পর্যন্ত, যতোক্ষণ সেই নির্দিষ্ট পয়েন্টে এসে না পৌঁছায়। মনে করুন টেপটির রিল এখন প্রথমের দিকে আছে এবং কম্পিউটার একদম শেষ পয়েন্টের ডাটা অ্যাক্সেস করতে চাচ্ছে, তবে সেই ডাটা অ্যাক্সেস করতে অনেক সময় লেগে যাবে। কেনোনা রিল ঘুরে সেই পয়েন্ট পর্যন্ত যাবে এবং তারপরে ডাটা অ্যাক্সেস করা সম্ভব হবে। আর একে অনুক্রমিক এক্সেস বলা হয়।
র্যামের প্রকারভেদ
র্যাম প্রধানত দুই বৈচিত্র্যের হয়ে থাকে, একটি হলো ডির্যাম (DRAM) (ডাইন্যামিক র্যাম) আর আরেকটি হলো এসর্যাম (SRAM) (স্ট্যাটিক র্যাম)। ডির্যাম এসর্যামের তুলনায় কম ব্যয়বহুল হয় এবং এটি উচ্চ ঘনত্বের হয়ে থাকে (মানে কম সাইজের মধ্যে বেশি ডাটা আটাতে পারে)। সুতরাং ডির্যামকে ইন্টারনাল মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, বেশিরভাগ সময় পিসি, গেমিং কনসোলে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
অপরদিকে, এসর্যামের দাম অনেক বেশি হয়ে থাকে এবং এটি অনেক কম পাওয়ার ক্ষয়ের সাথে সাথে অনেক বেশি দ্রুতগতির হয়ে থাকে—কিন্তু এর ডাটা ক্যাপাসিটি অনেক কম হয়ে থাকে। এসর্যামকে বিশেষ করে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়ে থাকে। এটি বিশেষ করে পোর্টআবোল গ্যাজেটে যেমন সেলফোনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যেখানে পাওয়ার বাঁচানোর সাথে বেশি স্পীডের প্রয়োজন পড়ে।
ডির্যাম এবং এসর্যাম মূলত একই ধরনের কাজ করে। এদের তৈরি করার সময়ই এদের একটু আলাদা ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। এই দুই প্রকারের র্যামই তথ্য ভুলে যায়, কিন্তু ডির্যামের মেমোরি ফ্রেস হওয়ার জন্য কম্পিউটার অফ বা পাওয়ার অফ হওয়ার প্রয়োজন পড়ে কিন্তু এসর্যাম এই উপায়ে মেমোরি ফ্রেস করে না। ডির্যামে অল্প সাইজের মধ্যে বেশি ডাটা আঁটানো যায়—কারন এটি একটি বিটকে সংরক্ষন করার জন্য একটি ক্যাপাসিটার এবং একটি ট্র্যানজিস্টর ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু এসর্যামে একটি বিট সংরক্ষিত হওয়ার জন্য কতিপয় ক্যাপাসিটার এবং একটি ট্র্যানজিস্টরের প্রয়োজন পড়ে।

RAM
যাই হোক, সকল প্রকারের কম্পিউটার মেমোরি কিন্তু র্যান্ডম অ্যাক্সেস হয়ে থাকে না। যেমন ধরুন টেপ ড্রাইভের কথা, যাতে প্ল্যাস্টিকের ফিতা লাগানো থাকে এবং চম্বুকের সাহায্যে এ থেকে তথ্য রীড করা হয়ে থাকে। এখন যদি কম্পিউটার এই টেপ থেকে কোন নির্দিষ্ট পয়েন্টের তথ্য অ্যাক্সেস করতে চায় তবে এর ফিতার রিল গুলো সামনে পেছনে ঘুরতে আরম্ভ করবে, ঠিক ততোক্ষণ পর্যন্ত, যতোক্ষণ সেই নির্দিষ্ট পয়েন্টে এসে না পৌঁছায়। মনে করুন টেপটির রিল এখন প্রথমের দিকে আছে এবং কম্পিউটার একদম শেষ পয়েন্টের ডাটা অ্যাক্সেস করতে চাচ্ছে, তবে সেই ডাটা অ্যাক্সেস করতে অনেক সময় লেগে যাবে। কেনোনা রিল ঘুরে সেই পয়েন্ট পর্যন্ত যাবে এবং তারপরে ডাটা অ্যাক্সেস করা সম্ভব হবে। আর একে অনুক্রমিক এক্সেস বলা হয়।
র্যামের প্রকারভেদ
র্যাম প্রধানত দুই বৈচিত্র্যের হয়ে থাকে, একটি হলো ডির্যাম (DRAM) (ডাইন্যামিক র্যাম) আর আরেকটি হলো এসর্যাম (SRAM) (স্ট্যাটিক র্যাম)। ডির্যাম এসর্যামের তুলনায় কম ব্যয়বহুল হয় এবং এটি উচ্চ ঘনত্বের হয়ে থাকে (মানে কম সাইজের মধ্যে বেশি ডাটা আটাতে পারে)। সুতরাং ডির্যামকে ইন্টারনাল মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, বেশিরভাগ সময় পিসি, গেমিং কনসোলে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
অপরদিকে, এসর্যামের দাম অনেক বেশি হয়ে থাকে এবং এটি অনেক কম পাওয়ার ক্ষয়ের সাথে সাথে অনেক বেশি দ্রুতগতির হয়ে থাকে—কিন্তু এর ডাটা ক্যাপাসিটি অনেক কম হয়ে থাকে। এসর্যামকে বিশেষ করে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়ে থাকে। এটি বিশেষ করে পোর্টআবোল গ্যাজেটে যেমন সেলফোনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যেখানে পাওয়ার বাঁচানোর সাথে বেশি স্পীডের প্রয়োজন পড়ে।
ডির্যাম এবং এসর্যাম মূলত একই ধরনের কাজ করে। এদের তৈরি করার সময়ই এদের একটু আলাদা ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। এই দুই প্রকারের র্যামই তথ্য ভুলে যায়, কিন্তু ডির্যামের মেমোরি ফ্রেস হওয়ার জন্য কম্পিউটার অফ বা পাওয়ার অফ হওয়ার প্রয়োজন পড়ে কিন্তু এসর্যাম এই উপায়ে মেমোরি ফ্রেস করে না। ডির্যামে অল্প সাইজের মধ্যে বেশি ডাটা আঁটানো যায়—কারন এটি একটি বিটকে সংরক্ষন করার জন্য একটি ক্যাপাসিটার এবং একটি ট্র্যানজিস্টর ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু এসর্যামে একটি বিট সংরক্ষিত হওয়ার জন্য কতিপয় ক্যাপাসিটার এবং একটি ট্র্যানজিস্টরের প্রয়োজন পড়ে।
![]() |
| RAM |

No comments